মাহবুব সিরাজ তুহিন: একটি ছবি, একটি নাম, একটি বিশ্ববিদ্যালয় জীবন আর প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা বাবার ভালোবাসা। আজকের পৃথিবীতে স্মৃতি ধরে রাখা খুব সহজ। হাতে স্মার্টফোন থাকলে জীবনের প্রায় প্রতিটি মুহূর্তই এখন ছবিতে বা ভিডিওতে ধরে রাখা যায়। সন্তানের জন্ম, স্কুলে প্রথম যাওয়া, জন্মদিন, পারিবারিক অনুষ্ঠান, ভ্রমণ কিংবা জীবনের কোনো বিশেষ অর্জন সবকিছুই মুহূর্তের মধ্যে ক্যামেরাবন্দি হয়ে যায়। কখনো কখনো মনে হয়, আমরা যেন ছবি তুলতে তুলতেই জীবন পার করে দিচ্ছি। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সময়টা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তখন আজকের মতো স্মার্টফোন ছিল না, মুহূর্তে মুহূর্তে ছবি তোলার সুযোগও ছিল না। একটি ছবি তুলতে হলে ক্যামেরা লাগত, ফিল্ম লাগত, তারপর সেই ছবি ডেভেলপ করার জন্য অপেক্ষা করতে হতো। ফলে জীবনের অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত কোনো ছবিতে বন্দি হয়নি। আব্বার সঙ্গে আমার ছবিও তাই খুব বেশি নেই। কিন্তু আজ মনে হয়, ছবির সংখ্যা হয়তো কম, স্মৃতির সংখ্যা নয়। বরং যে অল্প কয়েকটি ছবি আছে, সেগুলোর প্রতিটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে জীবনের গভীর কোনো গল্প, কোনো আবেগ এবং কোনো না বলা কথা।
বাবা দিবস এলে পুরোনো ছবিগুলোর দিকে তাকানোর একটি আলাদা অনুভূতি তৈরি হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা অনেক দূরে চলে আসি, দেশ বদলায়, শহর বদলায়, জীবন বদলায়, দায়িত্ব বদলায়। একসময় যে মানুষটি বাবার হাত ধরে স্কুলে যেত, সে-ই একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যায়। তারপর কর্মজীবনে প্রবেশ করে, নিজের পরিবার গড়ে তোলে, সন্তানদের বড় হতে দেখে। কিন্তু জীবনের এই দীর্ঘ পথের কোথাও না কোথাও বাবা থেকে যান। কখনো তাঁর কোনো উপদেশে, কখনো তাঁর শেখানো কোনো মূল্যবোধে, কখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহসে, আবার কখনো কোনো পুরোনো ছবির মধ্যে।
আমার কাছে এমনই একটি বিশেষ ছবি জড়িয়ে আছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনের সঙ্গে। তখন আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন এমনিতেই জীবনের একটি বিশেষ সময়। একদিকে পড়াশোনা, অন্যদিকে বন্ধুত্ব, আড্ডা, সাংস্কৃতিক কর্মকা-, রাজনৈতিক সচেতনতা, নানা স্বপ্ন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা সবকিছু মিলিয়ে এক অন্যরকম জীবন। কিন্তু কোনো এক ছুটিতে নানা একাডেমিক চাপের কারণে বাড়ি যাওয়া সম্ভব হয়নি। অন্য সবাই যখন যার যার বাড়িতে চলে গেছে, আমি থেকে গিয়েছিলাম ক্যাম্পাসে। ছুটির সময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চেহারা একেবারেই বদলে যায়। সাধারণ সময়ে যে ক্যাম্পাস হাজারো শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখর থাকে, যেখানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আড্ডা, হাসি, আলোচনা, বিতর্ক এবং নানা কর্মকা- চলতে থাকে, ছুটির দিনে সেই একই জায়গা যেন সম্পূর্ণ অন্য এক জগৎ হয়ে যায়। হলগুলো ফাঁকা, পরিচিত রুমগুলোর দরজা বন্ধ, বন্ধুদের দেখা নেই। ক্যানটিন বন্ধ, ডাইনিং বন্ধ। সন্ধ্যা নামলে করিডোরগুলো আরও নির্জন হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে স্বাধীনতার একটি আলাদা আনন্দ থাকে। নিজের সময় নিজের মতো করে কাটানো, নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে জীবন ভাগ করে নেওয়া সবকিছুর মধ্যে এক ধরনের মুক্তির অনুভূতি কাজ করে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বাধীনতার মাঝেও নিঃসঙ্গতা এসে দাঁড়ায়। বিশেষ করে যখন চারপাশের সবাই বাড়ি চলে যায় আর আপনি থেকে যান প্রায় ফাঁকা একটি ক্যাম্পাসে। খাবারদাবারের ব্যবস্থাও তখন নিজেদের মতো করে করতে হতো। কখনো কোথাও থেকে খাবার সংগ্রহ করা, কখনো কোনোভাবে ব্যবস্থা করা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সেই ছোটখাটো কষ্টগুলো তখন হয়তো খুব স্বাভাবিকই মনে হতো। তরুণ বয়সে মানুষ অনেক কিছুই সহজভাবে নেয়। সামান্য অসুবিধা, অনিশ্চয়তা কিংবা কষ্ট তখন জীবনের অংশ বলেই মনে হয়। কিন্তু বাবা-মায়ের কাছে সন্তানের কষ্ট কখনোই ছোট মনে হয় না। কীভাবে যেন বাড়িতে খবর পৌঁছে গেল আমি ছুটির সময়ও ক্যাম্পাসে আছি, ডাইনিং ও ক্যানটিন বন্ধ, খাবারদাবার নিয়ে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। আজও জানি না খবরটি ঠিক কীভাবে আব্বা-আম্মার কাছে পৌঁছেছিল। হয়তো কোনো পরিচিত মানুষ বলেছিলেন, হয়তো কারও সঙ্গে কথার প্রসঙ্গে তাঁরা জেনেছিলেন। কিন্তু খবরটি শোনার পর তাঁদের প্রতিক্রিয়া ছিল খুব স্বাভাবিক একজন বাবা ও একজন মায়ের প্রতিক্রিয়া। তাঁরা চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। আজ যখন নিজেই বাবা, তখন সেই অনুভূতিটা আরও ভালোভাবে বুঝতে পারি। সন্তান বয়সে যতই বড় হোক, বাবা-মায়ের চোখে সে কখনো পুরোপুরি বড় হয় না। সে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুক, চাকরি করুক, নিজের পরিবার গড়ুক কিংবা পৃথিবীর অন্য প্রান্তে চলে যাক বাবা-মায়ের মনে কোথাও না কোথাও সে সেই আগের সন্তানই থেকে যায়। তারপর ঘটল সেই ঘটনা, যা আজ এত বছর পরও মনে করলে হৃদয় ভরে যায়। কিছুদিনের মধ্যেই আব্বা-আম্মাসহ পরিবারের সবাই বিশাল খাবারের আয়োজন নিয়ে হাজির হলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলে। তাঁদের গন্তব্য আমার ২০৩ নম্বর রুম। আজও ভাবলে অবাক লাগে। আমি হয়তো তখন ভাবতেই পারিনি, দূরে থাকা বাবা-মা সন্তানের একটি ছোট্ট অসুবিধার খবর শুনে এভাবে সবকিছু ফেলে ছুটে আসতে পারেন। তাঁরা শুধু আমাকে দেখতে আসেননি। তাঁরা এসেছিলেন নিশ্চিত হতে আমি ভালো আছি কি না, ঠিকমতো খেয়েছি কি না, কোনো কষ্ট হচ্ছে কি না। আর সঙ্গে ছিল খাবার। অনেক খাবার। আজ মনে হয়, সেই খাবারের স্বাদ হয়তো কোনো নামকরা রেস্টুরেন্টের খাবারের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো খাবারের একটি স্বাদ হয়তো সেদিনই পেয়েছিলাম।

মওলানা ভাসানী হলের নিচতলার করিডোরে দাঁড়িয়ে তোলা সেই ছবিটি তাই আমার কাছে শুধুই একটি পারিবারিক ছবি নয়। এটি একটি গল্প। এটি একটি সময়ের দলিল। এটি এমন একটি মুহূর্তের স্মৃতি, যখন হয়তো আমি আরও গভীরভাবে অনুভব করেছিলাম পরিবার কখনো সত্যিকার অর্থে দূরে থাকে না। ভৌগোলিক দূরত্ব থাকতে পারে, কিন্তু ভালোবাসার দূরত্ব থাকে না। আমার আব্বা ছিলেন একজন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সচেতন মানুষ। তাঁর ব্যক্তিত্বের এই দিকটি আমাদের পরিবার এবং আমাদের সন্তানজীবনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সন্তানদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নিয়ে পরিবারে উদ্বেগ থাকা খুবই স্বাভাবিক। বিশেষ করে ছাত্ররাজনীতিতে জড়ানোর বিষয়ে বাবা-মায়েরা প্রায়ই দ্বিধায় থাকেন। কিন্তু আমার আব্বা ছিলেন কিছুটা ভিন্ন ধরনের মানুষ। তিনি শুধু রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না, তিনি আমাদের সমাজ ও দেশ সম্পর্কে সচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে উৎসাহিত করতেন।
আব্বা আমাদের কখনো ক্ষমতার রাজনীতি শেখাননি। তিনি শেখাতেন মানুষের জন্য রাজনীতি করতে। পদ পাওয়ার জন্য নয়। ক্ষমতা অর্জনের জন্য নয়। নিজেকে বড় মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য নয়। বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। তাঁর কাছে রাজনীতি ছিল মানুষের সেবা করার একটি মাধ্যম। একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, কারও সমস্যা শুনে সমাধানের চেষ্টা করা, নিজের সামর্থ্যের মধ্যে সাহায্য করা কিংবা কাউকে সঠিক পথ দেখানো এসবও তাঁর কাছে মানুষের জন্য কাজ করার অংশ ছিল। আজকের দিনে রাজনীতিকে নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্কের মধ্যে দাঁড়িয়ে আব্বার সেই দর্শন আরও বেশি মনে পড়ে। ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী হতে পারে, পদ পরিবর্তিত হতে পারে, পরিচিতি বদলে যেতে পারে কিন্তু মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া যায় কেবল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে।
আব্বার আরেকটি অসাধারণ গুণ ছিল তিনি আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিতেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি আমাদের নিজের সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করতেন। আমরা কী পড়ব, কোন পথে এগোব, ভবিষ্যতে কী করব এসব বিষয়ে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা ও মতামত দিতেন, ভালো-মন্দ বুঝিয়ে দিতেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতেন। আজ বুঝি, সন্তানকে স্বাধীনতা দেওয়া সহজ নয়। কারণ স্বাধীনতা মানে ভুল করার সুযোগও দেওয়া। নিজের সিদ্ধান্তে ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। জীবন সবসময় পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে না। ভুল হয়, পথ বদলায়, মানুষ কষ্ট পায়, কোনো সিদ্ধান্ত পরে ভুল বলেও মনে হতে পারে। তারপরও সন্তানকে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া মানে তাকে বিশ্বাস করা। আমার আব্বা আমাদের বিশ্বাস করতেন।
আমার নামের সঙ্গেও আব্বাকে ঘিরে একটি সুন্দর গল্প আছে। আমার জন্ম ডিসেম্বর মাসে। বাংলাদেশের ডিসেম্বরের রাত, শীতের আবহাওয়া, আর সেই সময়ের একটি বিশেষ পারিবারিক পরিবেশ সবকিছু মিলিয়ে আমার জন্মের গল্পটি আমার কাছে সবসময়ই বিশেষ। সেই রাতে সারা রাতব্যাপী কাওয়ালি ও আধ্যাত্মিক সংগীতের একটি আয়োজন ছিল। আনন্দমুখর সেই পরিবেশের মধ্যেই ডিসেম্বরের এক শীতল মধ্যরাতে আমার জন্ম। পরিবারের সবাই আনন্দে ভরে উঠেছিলেন। আর সেই আনন্দের মুহূর্তেই আমার নাম রাখা হয় তুহিন। তুহিন নামটির সঙ্গে শীতলতা ও শীতের আবহের সম্পর্ক রয়েছে। আমার আরেক নাম মাহবুব। এর অর্থ প্রিয় বা ভালোবাসার যোগ্য ব্যক্তি। দুটি নাম, দুটি ভিন্ন অর্থ একটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ডিসেম্বরের শীতল রাত, অন্যটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভালোবাসা। আর দুটি নামের পেছনেই আছে একটি পরিবার এবং একজন বাবার স্নেহের ছায়া।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাবা-মায়ের ভালোবাসার অর্থও যেন বদলে যায়। ছোটবেলায় আমরা অনেক কিছুই স্বাভাবিক বলে ধরে নিই। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বুঝতে শুরু করি, এগুলো মোটেও স্বাভাবিক কোনো ঘটনা ছিল না। এগুলো ছিল নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রকাশ। একসময় সন্তান নিজেও বাবা বা মা হয়। তখন সে বুঝতে শুরু করে, একটি সন্তানের জন্য চিন্তা করার অর্থ কী। আজ যখন আমার ছেলে আহনাফের সঙ্গে তোলা ছবিটির দিকে তাকাই, তখন এই অনুভূতিটি আরও গভীর হয়ে ওঠে। এই ছবিতে আহনাফ তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে গ্র্যাজুয়েশনের পোশাকে। তার হাতে সনদ, মুখে হাসি। আর তার পাশে আমি একজন বাবা। এখানে আমি যেন সময়ের একটি পূর্ণ বৃত্ত দেখতে পাই। একদিন আমি ছিলাম সন্তান। আমার আব্বা ছিলেন আমার বাবা। তিনি আমার জন্য চিন্তা করতেন, আমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করতেন, আমাকে নিজের পথ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা দিতেন এবং জীবনের ছোট-বড় প্রতিটি মুহূর্তে নিজের মতো করে পাশে থাকতেন।

আজ আমি নিজেই একজন বাবা। আহনাফ নিজের জীবনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। একসময় যে সন্তান বাবার হাত ধরে পথ চলতে শেখে, সে-ই একদিন নিজের সাফল্যের পথে এগিয়ে যায়। আর বাবা কখনো সামনে থেকে পথ দেখায় কখনো পেছনে দাঁড়িয়ে সমর্থন দেন, আবার কখনো শুধু নীরবে সন্তানের অর্জনের দিকে তাকিয়ে গর্ব অনুভব করেন। প্রজন্ম বদলায়, সময় বদলায়, প্রযুক্তি বদলায়। তবুও কিছু বিষয় বদলায় না। বাবার ভালোবাসা বদলায় না। আজ বাবা দিবসে আব্বাকে মনে পড়লে তাই শুধু অতীতের কথা মনে পড়ে না। মনে হয়, তাঁর দেওয়া শিক্ষা এখনও আমাদের সঙ্গে আছে। মানুষের জন্য কিছু করার শিক্ষা, নিজের সিদ্ধান্তের দায়িত্ব নেওয়ার শিক্ষা, স্বাধীনভাবে চিন্তা করার শিক্ষা এবং পরিবারকে ভালোবাসার শিক্ষা। সব বাবা তাঁদের সন্তানদের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন, পৃথিবীর সকল বাবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। যাঁরা আজও সন্তানের হাত ধরে পথ দেখাচ্ছেন, তাঁদের প্রতি ভালোবাসা। যাঁরা দূরে থেকেও সন্তানের জন্য প্রতিদিন চিন্তা করেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা। আর যাঁদের বাবা আজ আমাদের মাঝে নেই, তাঁদের জন্য রইল আন্তরিক দোয়া ও প্রার্থনা। বাবা কখনো সত্যিকার অর্থে দূরে চলে যান না। তিনি থেকে যান তাঁর সন্তানের হৃদয়ে।
বাবা দিবসের বিশেষ সংখ্যাটি ডাউনলোড লিংক: Father_AK_small